Templates by BIGtheme NET
Home » জেলার খবর » কুষ্টিয়ায় শীতের পিঠার জমজমাট ব্যবসা

কুষ্টিয়ায় শীতের পিঠার জমজমাট ব্যবসা

হাসিবুর রহমান রুবেল, কুষ্টিয়া:

বারো মাসে তেরো পার্বণের বাংলাদেশে এখন শীতকাল। অন্যান্য মাসের চেয়ে এ মাসে বিয়ে, নবান্ন আর পিঠা উৎসবসহ নানা আয়োজন বাড়তি আনন্দ দেয় বাঙালিদের। তবে এবারের শীতের তীব্রতা, নাগরিক ব্যস্ততা আর যান্ত্রিক যুগে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে উৎসবে। এসব উৎসব কিছুটা কম হলেও পিঠা খাওয়া বাদ পড়েনি কুষ্টিয়াবাসীর। হার মেনেছে শীতের তীব্রতা। শীত উপেক্ষা করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে পিঠা কিনতে ছুটছেন লোকজন। তাদের চাহিদা মাথায় রেখে রাস্তার অলিগলি, মোড়ে মোড়ে জমে ওঠেছে পিঠার দোকান। বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়ে রেখেছে তারা।

অফিসগামী কিংবা বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে তাই অনেককেই দেখা যায় পিঠা খেতে।

দোকানিরা জানান, এবার ভাঁপা পিঠা, নুন  পিঠা, পাটি সাপটা পিঠা, চিতই পিঠা বিক্রি হচ্ছে বেশি। অন্যান্যবারের চেয়ে এবার বেশি হারে পিঠা বিক্রি হচ্ছে। আয় বেড়েছে তাদের।

শুধু কর্মজীবীরাই নন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তার ধারের পিঠার দোকানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। গাড়ি থামিয়ে রাস্তা থেকে কিনছেন নানা ধরনের পিঠা।আবার কেউ কেউ কর্মস্থল শেষ করে ফিরতি পথে পরিবারের সদস্যদের জন্যও পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন।

শহরের মজমপুর গেট সংলগ্ন পিঠা কিনতে আসা মজিবর রহমান জানালেন, কর্মব্যস্ততার কারণে বাড়িতে এখন আর আগের মত পিঠা তৈরি হয়না। তিনি ও তার স্ত্রী উভয়ে পিঠা খেতে ভালোবাসেন। এখন পথের ধারের পিঠাই তাদের ভরসা।

১৯ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করেন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মজিবর। তিনি জানান, নারিকেল কুরি ও খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। দামও হাতের নাগালেই। ভাপা পিঠা পাঁচ টাকা করে বিক্রি করেন তিনি। প্রতিদিন দুই শতাধিক পিঠা বিক্রি হয় তাঁর। দিনে তিনি লাভ প্রায় ৩০০ টাকা।

Facebook Comments Box