Templates by BIGtheme NET
Home » প্রবাসী বাংলা » হৃৎপিণ্ডের ‘মালিক’ খুঁজছে পুলিশ

হৃৎপিণ্ডের ‘মালিক’ খুঁজছে পুলিশ

হাসপাতালের পার্কিং লট। কাছেই পড়ে রয়েছে একটা প্যাকেট। দেখে প্রথমেই সন্দেহই হয় ডাক্তারদের। খুলতেই উঁকি দেয় রক্তমাখা আস্ত এক হৃৎপিণ্ড!

 

২৫ আগস্টের এই ঘটনা নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট খবর প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, পুলিশ জানার চেষ্টা করছে যে হৃৎপিণ্ডটি কার।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, ঘটনার দিন অন্যান্য দিনের মতোই জরুরি ফোন পেয়ে ওহিয়ো অঙ্গরাজ্যের নরওয়াক পার্কিং লট থেকে অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে বেরিয়েছিল দলটি। আনুমানিক এক ঘণ্টা পর ফিরে আসতেই চোখে পড়ে প্যাকেটটা।

ডাক্তারদের ওই দলটি জানায়, হৃৎপিণ্ডটি দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তা বেশ তাজা। সময় নষ্ট না করে পুলিশকে ডেকে আনেন তাঁরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় স্থানীয়দের ভিড় উপচে পড়ে। আর সেই সঙ্গেই ওঠে প্রশ্ন— হৃৎপিণ্ডটা কার? কোথা থেকে এল?

 

আমেরিকার ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, রোজকার তালিকায় অন্তত এমন ৩ হাজার রোগীর নাম থাকে যাঁরা হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছেন। কিন্তু সেই তুলনায় জোগান কম। ফলে বিভিন্ন হাসপাতাল ও সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা চলছে, কেউ জরুরি অবস্থায় কোনও হৃৎপিণ্ড জোগাড় করেছিলেন কি না।

পুলিশ এসে হৃৎপিণ্ডটি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়ার আগেই তা এক দফা পরীক্ষা করেছিল ওই চিকিৎসক দলটি। তাঁদের অনুমান, ৯৫% সম্ভাবনা রয়েছে যে হৃৎপিণ্ডটি মানুষের। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মানুষের হৃৎপিণ্ডের সঙ্গে গঠনে মিল রয়েছে শুয়োর, শিম্পাঞ্জি বা কুকুরের হৃৎপিণ্ডের।

 

এই ঘটনার আগে গত জুলাইয়ে পেন্সিলভেনিয়ায় এক যুবকের বাড়ি থেকে মানুষের মস্তিষ্ক পাওয়া গিয়েছিল। পরে তা চুরি করার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মাদকের সঙ্গে মস্তিষ্কের রস মিশিয়ে নেশা করার জন্য সেটি চুরি করে এনে লুকিয়ে এসেছিল ধৃতেরা।

Facebook Comments